সেরা অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি স্ট্যাটাস এবং মোটিভেশন

পৃথিবীর সেরা অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি এবং মোটিভেশন। জীবনটা সবার জন্য এত সহজ থাকে না। কেউ অতি সহজেই সব পেয়ে যায় আর কেউ অনেক কষ্ট করে পায়। কথায় আছে, ইচ্ছে থাকলে উপায় মিলে।

অনুপ্রেরণামূলক উক্তি আপনাকে প্রতিদিন আপনার সম্ভাবনায় পৌঁছাতে সহায়তা করতে পারে। যদিও যদিও এগুলো শুধু শব্দ। কিন্তু ইতিবাচক শব্দ। এবং আপনি যদি হাল ছেড়ে দেওয়ার  শেষপ্রান্তে থাকেন বা নিজেকে পরবর্তী ধাপে নেওয়ার জন্য সংগ্রাম করছেন, তাই কখনও কখনও অনুপ্রেরণা আপনার প্রয়োজন।

 

অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি

পৃথিবীতে কোনো মেয়েই ছয়টা গাড়ীর মালিক ছেড়ে সিক্স প্যাক ওয়ালা ছেলেদের সাথে যাবে না, তাই জিমে যাওয়া বন্ধ করে কাজে যাও

রবার্ট মুগাবে

 

আমাদের দেশে নালিশ করার একটা সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু এই তরুণদের দেখুন, তারা নালিশ না করে নিজ সমাজের সমস্যা সমাধানে নিজ মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

সজীব ওয়াজেদ জয়

 

একবার না পারিলে দেখ শতবার

 

ফোর্ড মোটর এর মালিক হেনরি ফোর্ড ঠিকভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেননি তবুও তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ট গাড়ি কোম্পানির মালিক হতে পেরেছিলেন।

 

শচীন টেন্ডুলকার দশম শ্রেনীতে পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন। অনুপ্রেরণা মূলক বাণী

 

বিল গেটস তার ইউনিভার্সিটির পড়াশোনা শেষ করতে পারেন নি। অনুপ্রেরণা মূলক বাণী

 

এ.আর রহমানের বাবা ছোট বেলাতেই মারা গিয়েছিলেন। তবুও তিনি আজ বিশ্বের উল্লেখ যোগ্য সঙ্গীতকার এবং ভারতের শ্রেষ্ট সঙ্গীতকারে পরিণত হয়েছেন।

 

আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন মুচির দোকানে কাজ করতেন।

 

ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল।

সংগৃহীত

 

শেখ মুজিবুর রহমান ভিয়েতনামী জনগনকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন

কেনেথা কাউণ্ডা

 

কন্ঠকে নয়, শব্দকে ধরে তোলো | মনে রেখো- ঝড় নয়, বৃষ্টিতেই ফুল বেড়ে ওঠে

আরও পড়ুন:   ক্ষমা নিয়ে উক্তি এবং বাণী সমূহ

জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি

 

আবুল কালাম (ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি) ছিলেন গরীব ঘরের সন্তান। তাঁর বাবা ছিলেন একজন মাঝি। তবুও তিনি একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী হতে পেরেছিলেন।

 

বিস্ময়কর ফুটবলার মেসি একসময় নিজের ফুটবলের ট্রেনিং এর খরচ যোগাতে চা দোকানে কাজ করতেন।

 

আন্ড্রু কার্নেগী প্রচুর গরীব ঘরের ছেলে ছিলেন। তিনি একটি খামারে কাজ করতেন। পরে তিনি আমেরিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী ব্যক্তি হয়েছিলেন।

 

হলিউড অভিনেতা ব্রাড পিট প্রথম জীবনে এল পল্লো লোসো নামের এক রেস্টুরেন্টে মোরগের ড্রেস পরে হোটেল বয় এর কাজ করতো।

 

থমাস এলভা এডিসনকে ছোটবেলায় সবাই বোকা, গাধা বলে রাগাত। তিনি পড়াশোনায় ভালো ছিলেন না। তবু তিনি একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী হতে পেরেছিলেন

 

৯০ মিনিটের খেলায় একজন প্লেয়ারের কাছে বল থাকে ৩ মিনিট, তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, বাকি ৮৭ মিনিটের খেলা, যখন তোমার কাছে বল নেই। তুমি ভাল খেলোয়াড় কিনা, এই সময়টুকুই সেটা ঠিক করে দেয়

ইয়োহান ক্রুইফ

 

২৫ বছর বয়সে ভারতের রজনিকান্ত ছিলেন একজন বাস কন্ডাকটর।

 

বার্সান ভাই পাটেল নিরমা কোম্পানির মালিক। তিনি অর্ধেক জীবন সাইকেলে করে নিরমা বিক্রি করে কাটিয়ে দেন। আর এখন।

 

নিকোলাস ক্রেজ ফেয়ারফ্যাক্স থিয়েটারে পপকর্ন বিক্রি করতো।

 

গায়ক বন জোভি প্রথম জীবনে বাড়িঘর সাজানোর ডেকোরেটরের কাজ করতো।

 

আমার প্রিয় অভিনেতা ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো খ্যাত জনি ডেপ ছোটোবেলায় রাস্তায় রাস্তায় বল পয়েন্ট কলম বিক্রি করতো!

 

বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান মুম্বাইতে এসে বেঞ্চে ঘুমাতেন,প্রতিদি ন কাজ খোজার জন্য বের হওয়ার আগে বন্ধুর কাছে ২০ টাকা করে ধার নিতেন।

 

মাঠে বল একটাই, তাই সেটা নিজেদের কাছে রাখো

ইয়োহান ক্রুইফ

 

অনুপ্রেরণা নিয়ে স্ট্যাটাস

নিশ্চিত করতে হবে, বিপক্ষের সবচেয়ে বাজে খেলোয়াড় যাতে সবচেয়ে বেশি বল পায়, তুমি খুব সহজেই বল ফেরত পাবে

আরও পড়ুন:   বিজয় দিবসের স্ট্যাটাস উক্তি এবং বাণী সমগ্র

ইয়োহান ক্রুইফ

 

যখন তোমার কাছে বল থাকবে, মাঠটাকে যতটা সম্ভব বড় করে ফেল। আর যখন থাকবে না, তখন মাঠটাকে যতটা পারো ছোট করে ফেল

ইয়োহান ক্রুইফ

 

আমার অবাক লাগে, যখন স্ট্যাটস দিয়ে প্রতিভাদের বাতিল করে দেয়া হয়। স্ট্যাটস দেখলে আমিও বাদ পড়ে যেতাম। আমার বয়স যখন ১৫, আমি ডানপায়ে ২০ মিটার আর বাম পায়ে ১৫ মিটারের বেশি দুরে বল পাঠাতে পারতাম না। আমার কোয়ালিটি ছিল স্কিল আর ভিশন, কোন কম্পিউটারের সেটা ধরার ক্ষমতা নেই

ইয়োহান ক্রুইফ

 

ফুটবল খেলা খুব সহজ, কিন্তু সহজ ফুটবল খেলা সবচেয়ে কঠিন

ইয়োহান ক্রুইফ

 

যদি আমাকে একটি সমস্যা সমাধানের জন্য এক ঘন্টা বেঁধে দেয়া হয়, আমি ৫৫ মিনিট সমস্যাটা নিয়ে চিন্তা করি এবং বাকি ৫ মিনিট সমাধানটা নিয়ে চিন্তা করি

অ্যালবার্ট আইনস্টাইন

 

গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আসবে যখন কান্না, ব’লবে সবাই-“ সেই যে পথিক তার শেখানো গান না?’’ আসবে ভেঙে কান্না! প’ড়বে মনে আমার সোহাগ, কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ! প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি ঘন ঘন মুছবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

 

আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন, তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ- কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন! শিউলি ঢাকা মোর সমাধি প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’! বুকের মালা ক’রবে জ্বালা চোখের জলে সেদিন বালা মুখের হাসি ঘুচবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

 

আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি, থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী! আসবে শিশির-রাত্রি! থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন, থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন, বঁধুর বুকের পরশনে আমার পরশ আনবে মনে- বিষিয়ে ও-বুক উঠবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

 

আসবে আবার শীতের রাতি, আসবে না’ক আর সে- তোমার সুখে প’ড়ত বাধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে, আসবে না’ক আর সে! প’ড়বে মনে, মোর বাহুতে মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে, মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়! সেই স্মৃতি তো ঐ বিছানায় কাঁটা হ’য়ে ফুটবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আরও পড়ুন:   ওয়ারেন বাফেট এর উক্তি এবং বাণী সমূহ

কাজী নজরুল ইসলাম

 

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে, সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে- দুলবে তরী রঙ্গে, প’ড়বে মনে সে কোন্ রাতে এক তরীতে ছিলেম সাথে, এমনি গাঙ ছিল জোয়ার, নদীর দু’ধার এমনি আঁধার তেমনি তরী ছুটবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

 

তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ, আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ- সখার কারা-বন্ধ! বন্ধু তোমার হানবে হেলা ভাঙবে তোমার সুখের মেলা; দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর, বইতে প্রাণের শান- এ ভার মরণ-সনে বুঝ্বে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

 

ফুটবে আবার দোলন চাঁপা চৈতী-রাতের চাঁদনী, আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদনী- চৈতী-রাতের চাঁদনী। ঋতুর পরে ফিরবে ঋতু, সেদিন-হে মোর সোহাগ-ভীতু! চাইবে কেঁদে নীল নভো গা’য়, আমার মতন চোখ ভ’রে চায় যে-তারা তা’য় খুঁজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

 

আসবে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন, কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন- টুটবে যবে বন্ধন! পড়বে মনে, নেই সে সাথে বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে- আপনি গালে যাচবে চুমা, চাইবে আদর, মাগবে ছোঁওয়া, আপনি যেচে চুমবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে।

কাজী নজরুল ইসলাম

 

আমার বুকের যে কাঁটা-ঘা তোমায় ব্যথা হানত্ সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়ত হয়ে শ্রান– আসবে তখন পান’। হয়ত তখন আমার কোলে সোহাগ-লোভে পড়বে ঢলে, আপনি সেদিন সেধে কেঁদে চাপবে বুকে বাহু বেঁধে, চরণ চুমে পূজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

কাজী নজরুল ইসলাম

Was this article helpful?
YesNo

Leave a Comment